কক্সবাজার ০৫:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে মাইন বিস্ফোরণে আহত রোহিঙ্গা যুবক, চিকিৎসাধীন কুতুপালংয়ে

নিজস্ব সংবাদ :

 


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে রকি আলম (২৬) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মেদাই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণে মারাত্মক জখম হওয়া রকি আলমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সীমান্ত পার করে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এলাকার এক বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আহত ওই রোহিঙ্গা যুবককে হাসপাতালে নেওয়া হতে দেখেছি।”

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “রোহিঙ্গা যুবকটি মিয়ানমারের ভেতরে মাইন বিস্ফোরণে আহত হন। পরে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে মানবিক কারণে তাকে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: সময়

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৫:৪৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
৫৩ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে মাইন বিস্ফোরণে আহত রোহিঙ্গা যুবক, চিকিৎসাধীন কুতুপালংয়ে

আপডেট সময় ০৫:৪৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

 


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে রকি আলম (২৬) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মেদাই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণে মারাত্মক জখম হওয়া রকি আলমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সীমান্ত পার করে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এলাকার এক বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আহত ওই রোহিঙ্গা যুবককে হাসপাতালে নেওয়া হতে দেখেছি।”

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “রোহিঙ্গা যুবকটি মিয়ানমারের ভেতরে মাইন বিস্ফোরণে আহত হন। পরে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে মানবিক কারণে তাকে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: সময়