কক্সবাজারে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৫, বিক্ষোভে রেল চলাচল বন্ধ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার রশিদনগরে ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ একই পরিবারের চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (আজ) দুপুর দেড়টার দিকে রশিদনগর ইউনিয়নের ধলিরছড়া রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে রেখে রেলপথ অবরোধ করে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—অটোরিকশাচালক হাবিব উল্লাহ (৫০), যাত্রী রেণু আরা (৪৫), তাঁর ছোট বোন আসমা আরা (১৩) এবং রেণুর দুই শিশু সন্তান আশেক উল্লাহ (৩) ও আতা উল্লাহ (দেড় বছর)। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৈয়বুর রহমান জানান, ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহতদের চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে। তাদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রশিদনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মালেক জানান, রেণু আরা তার বোন ও সন্তানদের নিয়ে বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে ধলিরছড়া রেলক্রসিংয়ে অটোরিকশাটি ট্রেনের ধাক্কায় অনেক দূরে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যান।
দুর্ঘটনার পরপরই ট্রেনটি চলে গেলেও স্থানীয়রা দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে চট্টগ্রাম থেকে আসা সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দেয় এবং রেলক্রসিংয়ে চেকপোস্ট স্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। শনিবার বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ট্রেনটি ঘটনাস্থলে আটকে ছিল।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী জানান, ট্রেনযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো










