কক্সবাজার ০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে চাপ সামলান এভাবে

নিজস্ব সংবাদ :

আধুনিক জীবনধারায় অভ্যস্তদের স্ট্রেস বা চাপও অনেক বেশি। অফিস, বাসা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনেক কিছুই চাপের কারণ। মনের এই চাপ আমাদের হৃৎপিণ্ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই চাপের সঙ্গে আপস না করে চাপ জয় করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

চাপ সামলানোর প্রথম ধাপ হলো জীবনকে সহজভাবে নেওয়া। জীবনের সৌন্দর্যকে আবিষ্কার করা। রোজ একবার মাথার ওপরের আকাশটাই দেখুন নাহয়। দেখুন মেঘেদের আনাগোনা। বৃষ্টি হলে একটু নাহয় ভিজুন। একবেলা হেঁটে বেড়ান আনমনে। জীবন নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনা ভালো নয়। অতীত আপনার হাতে নেই। ভবিষ্যতেও আপনি শতভাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। তাই বর্তমানকেই সুন্দর করে তুলুন। নিজের খুঁতগুলোকে সহজভাবে গ্রহণ করুন। জেনে নিন মানসিক চাপ সামলানোর আরও কিছু উপায়।

হাসুন

হাসলে মনের চাপ কমে। চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের মাত্রা কমে। হৃৎপিণ্ড থাকে সুস্থ। রোজকার কাজের চাপে অনেকে হাসতে ভুলে যান। হাসির খোরাক পেতে আপনি হাস্যরসাত্মক বই পড়তে পারেন। হাসির অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। কমেডি ধাঁচের সিনেমা বা ভিডিও খুঁজে নিয়ে সেটাও দেখতে পারেন। তবে রিল নয়। রিল আপনার চাপ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

বিরতি নিন

জাগতিক জটিলতা থেকে বিচ্ছিন থাকুন কিছু সময়ের জন্য। আধুনিক জীবনধারায় আমরা সব সময় সব সংবাদ পেয়ে যাই হাতের মুঠোয়, সবার সঙ্গে যুক্ত থাকি প্রযুক্তির সহায়তায়। এতে বহু উপকার মিললেও এভাবেই আমরা ভুগি এক অদৃশ্য চাপে। তাই রোজ কিছুটা সময়ের জন্য এসব থেকে বিরতি নিন। কাজ শেষ হলে একটু নিজের মতো সময় কাটান। নিজেকে সময় দিন। পরিবারকে সময় দিন। অন্তত ১০–১৫ মিনিটের জন্য হলেও ডিজিটাল স্ক্রিন এবং টেলিভশনের পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখুন। এই বিরতি যত লম্বা করতে পারবেন, ততই ভালো। ঘুমের সময় মুঠোফোন দেখা কিংবা ঘুম থেকে উঠেই মুঠোফোন দেখার অভ্যাসও বর্জন করুন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৭:০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
৮৩ বার পড়া হয়েছে

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে চাপ সামলান এভাবে

আপডেট সময় ০৭:০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

আধুনিক জীবনধারায় অভ্যস্তদের স্ট্রেস বা চাপও অনেক বেশি। অফিস, বাসা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনেক কিছুই চাপের কারণ। মনের এই চাপ আমাদের হৃৎপিণ্ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই চাপের সঙ্গে আপস না করে চাপ জয় করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

চাপ সামলানোর প্রথম ধাপ হলো জীবনকে সহজভাবে নেওয়া। জীবনের সৌন্দর্যকে আবিষ্কার করা। রোজ একবার মাথার ওপরের আকাশটাই দেখুন নাহয়। দেখুন মেঘেদের আনাগোনা। বৃষ্টি হলে একটু নাহয় ভিজুন। একবেলা হেঁটে বেড়ান আনমনে। জীবন নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনা ভালো নয়। অতীত আপনার হাতে নেই। ভবিষ্যতেও আপনি শতভাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। তাই বর্তমানকেই সুন্দর করে তুলুন। নিজের খুঁতগুলোকে সহজভাবে গ্রহণ করুন। জেনে নিন মানসিক চাপ সামলানোর আরও কিছু উপায়।

হাসুন

হাসলে মনের চাপ কমে। চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের মাত্রা কমে। হৃৎপিণ্ড থাকে সুস্থ। রোজকার কাজের চাপে অনেকে হাসতে ভুলে যান। হাসির খোরাক পেতে আপনি হাস্যরসাত্মক বই পড়তে পারেন। হাসির অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। কমেডি ধাঁচের সিনেমা বা ভিডিও খুঁজে নিয়ে সেটাও দেখতে পারেন। তবে রিল নয়। রিল আপনার চাপ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

বিরতি নিন

জাগতিক জটিলতা থেকে বিচ্ছিন থাকুন কিছু সময়ের জন্য। আধুনিক জীবনধারায় আমরা সব সময় সব সংবাদ পেয়ে যাই হাতের মুঠোয়, সবার সঙ্গে যুক্ত থাকি প্রযুক্তির সহায়তায়। এতে বহু উপকার মিললেও এভাবেই আমরা ভুগি এক অদৃশ্য চাপে। তাই রোজ কিছুটা সময়ের জন্য এসব থেকে বিরতি নিন। কাজ শেষ হলে একটু নিজের মতো সময় কাটান। নিজেকে সময় দিন। পরিবারকে সময় দিন। অন্তত ১০–১৫ মিনিটের জন্য হলেও ডিজিটাল স্ক্রিন এবং টেলিভশনের পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখুন। এই বিরতি যত লম্বা করতে পারবেন, ততই ভালো। ঘুমের সময় মুঠোফোন দেখা কিংবা ঘুম থেকে উঠেই মুঠোফোন দেখার অভ্যাসও বর্জন করুন।