কক্সবাজার ০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোর্ট হাজতে আসামির পকেটে ফোন: পাঁচ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

নিজস্ব সংবাদ :

কক্সবাজার আদালতের হাজতখানায় মুঠোফোন সুবিধা দেওয়ার ঘটনায় দুই টিএসআইসহ পুলিশের ৫ সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১২ জুলাই) রাতে কক্সবাজার আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মো. গোলাম জিলানী তথ্যের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- টিএসআই সুরেন দত্ত, আবদুল ওয়াহেদ, কনস্টেবল নাজম হায়দার, গোলাম মোস্তফা ও ইয়াছিন নূর। এসময় কোর্ট হাজতে আসামিদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

এর আগে এ ঘটনা নিয়ে শুক্রবার কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

গত বুধবার (৯ জুন) আদালতে হাজিরা দিতে কোর্ট পুলিশের হেফাজতে হাজতখানা থেকে বের করে আনা হয় শাহীনকে। ঠিক তখনই তার পকেটে মোবাইল ফোনের অস্তিত্ব নজরে আসে কক্সবাজারের সংবাদকর্মীদের। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি।

গেলো ৫ জুন সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য শাকের আহমদের বাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় শাহীন ডাকাতকে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে। এরপর তার সহযোগী হিসেবে একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে শৃঙ্খলা বাহিনী। মিয়ানমার-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে রামু অংশে সিসিটিভি লাগিয়ে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করতেন শাহীনুর রহমান শাহীন ডাকাত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৪:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
৫৭ বার পড়া হয়েছে

কোর্ট হাজতে আসামির পকেটে ফোন: পাঁচ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

আপডেট সময় ০৪:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

কক্সবাজার আদালতের হাজতখানায় মুঠোফোন সুবিধা দেওয়ার ঘটনায় দুই টিএসআইসহ পুলিশের ৫ সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১২ জুলাই) রাতে কক্সবাজার আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মো. গোলাম জিলানী তথ্যের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- টিএসআই সুরেন দত্ত, আবদুল ওয়াহেদ, কনস্টেবল নাজম হায়দার, গোলাম মোস্তফা ও ইয়াছিন নূর। এসময় কোর্ট হাজতে আসামিদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

এর আগে এ ঘটনা নিয়ে শুক্রবার কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

গত বুধবার (৯ জুন) আদালতে হাজিরা দিতে কোর্ট পুলিশের হেফাজতে হাজতখানা থেকে বের করে আনা হয় শাহীনকে। ঠিক তখনই তার পকেটে মোবাইল ফোনের অস্তিত্ব নজরে আসে কক্সবাজারের সংবাদকর্মীদের। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি।

গেলো ৫ জুন সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য শাকের আহমদের বাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় শাহীন ডাকাতকে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে। এরপর তার সহযোগী হিসেবে একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে শৃঙ্খলা বাহিনী। মিয়ানমার-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে রামু অংশে সিসিটিভি লাগিয়ে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করতেন শাহীনুর রহমান শাহীন ডাকাত।